নতুন ইউটিউবার হিসেবে আপনার ভিডিওগুলো ঠিকভাবে মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে না, তাই না? এটা একটা পরিচিত সমস্যা। মনের মতো করে ভিডিও বানাচ্ছেন, অনেক খেটে এডিট করছেন, থাম্বনেইল তৈরি করছেন, কিন্তু ভিউ আসছে না, সাবস্ক্রাইবার বাড়ছে না।
আপনি যদি আপনার ভিডিওকে সঠিক দর্শকের কাছে পৌঁছে দিতে চান, তাহলে ইউটিউব এসইও শেখাটা দরকারি।
ইউটিউব ভিডিও এসইও কি?
ইউটিউব এসইও হলো এমন কিছু কৌশল, যা আপনার ভিডিওকে ইউটিউব ও গুগলের সার্চ ফলাফলে ওপরের দিকে নিয়ে আসে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো আপনার ভিডিওর দৃশ্যমানতা (visibility), ওয়াচ টাইম (watch time) এবং সাবস্ক্রাইবার বাড়ানো।
আপনারা জানেন এসইও সার্ভিসেস বাংলাদেশ এজেন্সি বিগত ১ বছরেরও বেশি সময় ধরতে ইউটিউব এসইও সার্ভিস দিচ্ছে। কিন্তু ২০১৯ সালেও আমরা ভিডিও এসইও করতাম না। প্রথম দিকে যখন আমি এসইও নিয়ে মাথা ঘামাতাম না, তখন ভিডিওতে তেমন ভিউ আসত না। কিন্তু যখন বুঝলাম যে এটা আসলে কী, তখন মনে হলো যেন একটা নতুন দুনিয়ার দরজা খুলে গেছে!
আমার চ্যানেল থেকে প্রথম যখন একটি ভিডিও ভালো ভিউ পেল, কারণ আমি সেটার টাইটেল, ডেসক্রিপশন আর ট্যাগগুলো একটা নির্দিষ্ট কীওয়ার্ড ধরে অপটিমাইজ করেছিলাম, তখন বুঝলাম এসইও শুধু ভিউ আনার জন্য নয়, বরং সঠিক দর্শকদের কাছে পৌঁছানোর জন্য কতটা জরুরি।
আপনি ভাবছেন হয়তো এটা শুধু সংখ্যা? আরে না! আপনার কন্টেন্ট যে মানুষ খুঁজে পাচ্ছে এবং তাদের উপকারে আসছে, এই অনুভূতিটা দারুণ।
তবে, নতুনদের জন্য এই এসইও জিনিসটা প্রথমদিকে একটু কঠিন মনে হতে পারে।
মনে হতে পারে যেন অনেক টেকনিক্যাল বিষয়, যা বুঝতে বা প্রয়োগ করতে কষ্ট হবে।
আর মাঝে মাঝে মনে প্রশ্ন আসতেই পারে, “এত কিছু করে কি লাভ হবে?”
কিন্তু একবার শিখতে পারলে, এটি আপনার জন্য ভিজিটরের সংখ্যা বাড়াতে পারে, সার্চ ইঞ্জিনে আপনার ভিডিওকে প্রথম দশটি ফলাফলের মধ্যে আনতে পারে এবং আপনার ক্লিক-থ্রু রেট (CTR) উন্নত করতে পারে। এটা নতুন চ্যানেলের দ্রুত বৃদ্ধিতেও খুব কাজে দেয়।
বিশেষ করে, বাংলা কন্টেন্টের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে এসইও-এর গুরুত্ব আমাদের জন্য আরও বেশি। কারণ, সঠিক কৌশল প্রয়োগ করলে এখনো তুলনামূলক কম প্রচেষ্টায় র্যাঙ্ক করা সম্ভব।
এই পুরো প্রক্রিয়াটা কাজ করে ইউটিউবের বুদ্ধিমান অ্যালগরিদমকে ‘খুশি’ করার মাধ্যমে।
এই অ্যালগরিদম আপনার ভিডিওর কোয়ালিটি সরাসরি বিচার না করে, ব্যবহারকারীর আচরণ (যেমন ওয়াচ টাইম, লাইক, কমেন্ট) দেখে ভিডিওর র্যাঙ্কিং নির্ধারণ করে। যেমন, একটি ভিডিও ৫০-৭০% দেখা হলে বা ৫-১০% CTR থাকলে তা অ্যালগরিদম ভালো ভিডিও হিসেবে গণ্য করে। তাই, আপনি যদি চান আপনার কন্টেন্ট সত্যিকারের দর্শকদের কাছে পৌঁছাক, তাহলে এসইওকে আপনার রোডম্যাপের শুরুতে রাখুন।
YouTube SEO Service
Stop guessing. Let our experts handle your Keyword Research, VidiQ/TubeBuddy Scores, and Click-Boosting Thumbnails.
Grow My Channel Now৪ ধাপে ইউটিউব ভিডিও র্যাঙ্কিং

ধাপ #1: ইউটিউব কীওয়ার্ড রিসার্চ
আপনার চ্যানেলের জন্য সঠিক কীওয়ার্ড খুঁজে পাওয়াটা আমার কাছে গুপ্তধন খোঁজার মতো একটা দারুণ কাজ! যখন আপনি আপনার নির্দিষ্ট Niche-এর জন্য সঠিক কীওয়ার্ডগুলো বের করতে পারেন, তখন মনে হয় যেন একটা গোল্ড মাইন খুঁজে পেয়েছেন। এটা শুধু আপনার ভিডিওতে ভিউ আনতে সাহায্য করে না, বরং আপনার দর্শকদের পছন্দ, অপছন্দ এবং তারা কী খুঁজছে, সেটা বুঝতেও দারুণভাবে সাহায্য করে।
ইউটিউবের অটোকমপ্লিট ফাংশন, প্রতিযোগীদের ভিডিও বিশ্লেষণ বা ইউটিউব অ্যানালিটিক্সের রিসার্চ রিপোর্ট – এই পদ্ধতিগুলো আপনাকে প্রচুর কীওয়ার্ড আইডিয়া দিতে পারে। এছাড়াও, TubeBuddy, VidIQ, KeySearch, Semrush বা Google Keyword Planner-এর মতো কিছু টুলসও আপনাকে কীওয়ার্ডের সার্চ ভলিউম এবং ডিফিকাল্টি সম্পর্কে দারুণ ধারণা দিতে পারে।
সাধারণত, একটি কীওয়ার্ডের ডিফিকাল্টি স্কোর ০ থেকে ১০০ এর মধ্যে হয়, যেখানে কম স্কোর মানে সহজে র্যাঙ্ক করা যাবে। আপনি যদি উচ্চ সার্চ ভলিউম এবং কম প্রতিযোগিতা সম্পন্ন কীওয়ার্ডগুলো খুঁজে বের করতে পারেন, তাহলে আপনার সফল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যাবে।
তবে, আপনার হয়তো মনে হতে পারে, বাংলা কীওয়ার্ড রিসার্চ করাটা অনেক সময় একটু কঠিন। বিশেষ করে ইংরেজিতে ভালো টুলস থাকলেও বাংলার জন্য তেমন ডেটা সহজে পাওয়া যায় না। অনেক সময় এমনও হয় যে কীওয়ার্ডের খোঁজে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেটে যায়, কিন্তু মনের মতো ফলাফল আসে না।
একটা কার্যকর কীওয়ার্ড রিসার্চের জন্য অভিজ্ঞতা, ব্যবহৃত টুলস এবং আপনার লক্ষ্যের ওপর নির্ভর করে কয়েক মিনিট থেকে কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। কিন্তু বিশ্বাস করুন, এই সময়টা বিনিয়োগ করলে আপনি অনেক এগিয়ে থাকবেন। আপনি এখানে জানতে পারবেন কীভাবে Google Trends, YouTube Search Suggestion, এমনকি কিছু ফ্রি টুলস ব্যবহার করে বাংলা কীওয়ার্ড খুঁজে বের করবেন। এছাড়াও, “মিশ্রিত কীওয়ার্ড” (যেমন “YouTube SEO Bangla Tutorial”) এবং আঞ্চলিক শব্দ ব্যবহারের কৌশলগুলো আপনার খুব কাজে দেবে।
ধাপ #2: হাই রিটেনশন ইউটিউব ভিডিও কিভাবে বানাবেন?
একটা হাই-রিটেনশন ভিডিও তৈরি করা মানে হলো আপনার দর্শকদের জন্য একটা দারুণ অভিজ্ঞতা তৈরি করা। যখন আপনার ভিডিওটা মানুষ শেষ পর্যন্ত দেখে, তখন আপনার ভেতর একটা ভীষণ সন্তুষ্টি কাজ করে। এর মানে হলো, আপনি তাদের সময়কে মূল্যবান মনে করেছেন এবং তাদের জন্য ভালো কিছু দিতে পেরেছেন। ইউটিউবের চোখে আপনার ভিডিওটা তখন ‘সফল’ হিসেবে বিবেচিত হয়, যা আপনার চ্যানেলকে আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সাহায্য করে।
ইউটিউব অ্যানালিটিক্সের “Audience Retention” গ্রাফ দেখে বুঝতে পারবেন যে, ঠিক কোন জায়গায় দর্শকরা ভিডিওটি দেখা ছেড়ে দিচ্ছে।
যেমন, আমার একটা ৮ মিনিটের ভিডিওর প্রায় ৩ মিনিটের একটা লম্বা ভূমিকা ছিল, যা দর্শকরা প্রায়ই স্কিপ করে যেত। এরপর থেকে ভিডিওর প্রথম ১৫-৩০ সেকেন্ডে একটা মজবুত “হুক” (hook) ব্যবহার করা শুরু করলাম এবং অপ্রয়োজনীয় অংশগুলো ছেঁটে ফেললাম। ফলস্বরূপ, আমার পরের ভিডিওগুলোর গড় ভিউ ডিউরেশন (Average View Duration) প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেল। এটাই আমাকে শিখিয়েছে যে, দর্শক ধরে রাখা মানেই ইউটিউবের কাছে আপনার ভিডিওর মান প্রমাণ করা।
কিন্তু এই ধরনের ভিডিও তৈরি করাটা মুখের কথা নয়। এর জন্য স্ক্রিপ্টিং, এডিটিং, প্রেজেন্টেশন—সবকিছুতেই দক্ষতা দরকার। অনেক সময় দেখা যায়, আপনি হয়তো ভেবেছেন খুব ভালো ভিডিও বানিয়েছেন, কিন্তু অ্যানালিটিক্সে গিয়ে দেখেন যে দর্শক মাঝপথে ছেড়ে চলে যাচ্ছে। এটা বেশ হতাশাজনক হতে পারে।
আপনি যদি ৫ মিনিটের কম দৈর্ঘ্যের ভিডিও তৈরি করেন, তাহলে দর্শকরা কমপক্ষে ৫০-৭০% দেখলে ভালো হয়। আর ১০-২০ মিনিটের ভিডিওর জন্য ৪০-৫০% গড় দেখার সময়কে শক্তিশালী ধরা হয়। ২০ মিনিটের বেশি লম্বা ভিডিওতেও ৩০-৪০% গড় দেখার সময় আসাটা প্রশংসনীয়।
উচ্চ রিটেনশন পেতে হলে আপনার ভিডিওর শুরুটা আকর্ষণীয় হতে হবে, মূল্যবান বিষয়বস্তু থাকতে হবে, ভিডিওর গতি (pacing) ঠিক রাখতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয় ‘ডেড এয়ার’ বা নীরবতা বাদ দিতে হবে। B-roll বা ভিজ্যুয়াল ব্যবহার করে এবং উচ্চ মানের অডিও নিশ্চিত করেও আপনি দর্শকদের মনোযোগ ধরে রাখতে পারেন। এছাড়াও, আপনি যদি স্ক্রিপ্ট তৈরি করেন এবং নিয়মিত অ্যানালিটিক্স পর্যালোচনা করেন, তাহলে আপনার ভিডিও রিটেনশন আরও বাড়বে।
মনে রাখবেন, ইউটিউব অ্যালগরিদম ওয়াচ টাইম এবং রিটেনশনকে অনেক গুরুত্ব দেয়। এটি দর্শকদের প্ল্যাটফর্মে দীর্ঘক্ষণ ধরে রাখতে পারে এমন ভিডিওগুলোকে বেশি পছন্দ করে। তাই ভিডিওর দৈর্ঘ্য নিয়ে খুব বেশি চিন্তা না করে, আপনার বিষয়বস্তু যেন দর্শকদের শেষ পর্যন্ত দেখতে উৎসাহিত করে, সেদিকেই মনোযোগ দিন।
ধাপ #3: ইউটিউব ভিডিও এসইও অপটিমাইজেশন
ভিডিও অপটিমাইজেশন হলো একটা ভিডিওকে আপলোড করার আগে এবং পরে এমনভাবে সাজানো, যাতে ইউটিউব এবং দর্শক – উভয়ের কাছেই এটা আকর্ষণীয় ও সহজে খুঁজে পাওয়ার মতো হয়। এটা অনেকটা একটা প্যাকেজকে সুন্দরভাবে গুছিয়ে উপস্থাপন করার মতো। আপনি যদি আপনার ভিডিওর দৃশ্যমানতা বাড়াতে চান, অ্যালগরিদমের সমর্থন পেতে চান এবং প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে চান, তাহলে অপটিমাইজেশন আপনার জন্য অপরিহার্য। একটি গবেষণা অনুযায়ী, ইউটিউবের অ্যালগরিদম সরাসরি ৭০% ভিউ বৃদ্ধি করে থাকে। আপনি যখন সঠিকভাবে আপনার ভিডিওকে অপটিমাইজ করবেন, তখন আপনার ভিউ ও সাবস্ক্রাইবার সংখ্যাও আশাতীতভাবে বাড়বে। চলুন, এই ধাপের ভেতরের বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলি:
#3.1 ভিডিও টাইটেল
আমার কাছে একটা দারুণ টাইটেল তৈরি করাটা অনেকটা ধাঁধা সমাধানের মতো মনে হয়। যখন আপনি এমন একটা টাইটেল বানাতে পারেন, যা একদিকে ইউটিউব অ্যালগরিদমকে খুশি করে, আবার অন্যদিকে দর্শকদের ক্লিক করার জন্য প্রলুব্ধ করে।
আমার অভিজ্ঞতা বলে, টাইটেলের একদম শুরুতে যদি মূল কীওয়ার্ডটা রাখা যায় আর তারপর একটা কৌতূহল জাগানো বা আবেগপূর্ণ বাক্য যোগ করা হয়, তাহলে ভিডিওগুলোর ক্লিক-থ্রু রেট (CTR) অনেক বেড়ে যায়।
একটা টাইটেল সাধারণত ৬০-৭০ অক্ষরের মধ্যে রাখলে ভালো হয়, যাতে মোবাইল ডিভাইসেও পুরোটা দেখা যায়। ইউটিউব অ্যালগরিদম টাইটেলে ব্যবহৃত কীওয়ার্ডকে অনেক গুরুত্ব দেয়, তাই মূল কীওয়ার্ডকে টাইটেলের শুরুতেই রাখার চেষ্টা করুন। যাচাই করা তথ্য অনুযায়ী, একটি ভালো CTR সাধারণত ৫-১০% ধরা হয়, আর আকর্ষণীয় টাইটেল এর জন্য খুব জরুরি।
কীওয়ার্ড আর ক্লিকবেটের মধ্যে ভারসাম্য রাখাটা বেশ কঠিন। অনেক সময় দেখা যায়, বেশি কীওয়ার্ড ঢোকাতে গিয়ে টাইটেলটা রোবটিক বা আকর্ষণহীন হয়ে যায়। আবার, বেশি ক্লিকবেট দিতে গিয়ে স্প্যামি মনে হতে পারে, যা ইউটিউব পছন্দ করে না।
#3.2 ভিডিও ফাইলের নাম
যারা চান তাদের ভিডিওর প্রতিটি ছোট ছোট দিকও অপটিমাইজড থাকুক এবং অ্যালগরিদমকে সবদিক থেকে সাহায্য করা যায়, তাদের জন্য এটা একটা ভালো টিপস।
ভিডিও ফাইল রিনেম করাটা একটা ছোট কিন্তু বেশ গুরুত্বপূর্ণ কাজ, যা অনেকেই ভুলে যান। আমার কাছে এটা হলো ভিডিও আপলোডের আগে একটা ছোট “এসইও চেক” করার মতো।
যদিও ফাইল নামের প্রভাব সরাসরি মাপা কঠিন, আমি সবসময় চেষ্টা করি ভিডিও আপলোড করার আগে সেটাকে মূল কীওয়ার্ড দিয়ে রিনেম করতে। যেমন, যদি ইউটিউব এসইও নিয়ে ভিডিও হয়, তাহলে `youtube-seo-guide-bangla.mp4` এমন নামে সেভ করি। আমার বিশ্বাস, ইউটিউব অ্যালগরিদম এই সূক্ষ্ম সংকেতগুলোও ধরে নেয় এবং ভিডিওর প্রাসঙ্গিকতা বুঝতে সাহায্য করে। এটা আমার কাছে একটা ছোট ‘সফট পাওয়ার’ ব্যবহার করার মতো, যা অন্য অনেকেই হয়তো ব্যবহার করছে না। আপনিও চাইলে এই ছোট কাজটি করে দেখতে পারেন।
- আপনার ভিডিও ফাইল আপলোড করার আগে সেটিকে আপনার মূল কীওয়ার্ড দিয়ে রিনেম করুন। কোনো স্পেস ব্যবহার না করে হাইফেন (-) ব্যবহার করা উচিত।
- এটা এতটাই ছোট একটা কাজ যে অনেক সময় তাড়াহুড়ো করে ভুলে যাওয়া যায়। আর এর সরাসরি প্রভাব যেহেতু ততটা বড় নয়, তাই অনেকেই এর গুরুত্ব বোঝেন না বা একে তেমন পাত্তা দেন না।
#3.3 ভিডিও ডেসক্রিপশন
ভিডিও ডেসক্রিপশন হলো আপনার ভিডিওর গল্পটা বিশদভাবে বলার একটা দারুণ সুযোগ। এটা শুধু ইউটিউবকে সাহায্য করে না, বরং দর্শকদেরও আপনার ভিডিও সম্পর্কে গভীর ধারণা দেয়।
যারা চান তাদের ভিডিওর বিষয়বস্তু সম্পর্কে দর্শকদের বিস্তারিত ধারণা দিতে এবং তাদের ভিডিওতে দীর্ঘক্ষণ ধরে রাখতে, তাদের জন্য এটা খুবই কার্যকর।
- ডেসক্রিপশনের প্রথম ২-৩ লাইনে আপনার মূল কীওয়ার্ডগুলো রাখুন।
- বিস্তারিতভাবে আপনার ভিডিওর বিষয়বস্তু বর্ণনা করুন। যাচাই করা তথ্য অনুযায়ী, ৩০০+ শব্দের ডেসক্রিপশনে ৪ বার মূল কীওয়ার্ড ব্যবহার করা যেতে পারে।
- টাইমস্ট্যাম্প (যেমন, `0:00 Intro`) ব্যবহার করে ভিডিওকে বিভিন্ন অধ্যায়ে ভাগ করুন।
- অন্যান্য প্রাসঙ্গিক ভিডিও, প্লেলিস্ট এবং আপনার সোশ্যাল মিডিয়া লিংক যোগ করা উচিত।
- মনে রাখবেন, ডেসক্রিপশনের প্রথম ১২৫ অক্ষরের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রাখা খুব জরুরি।
একটা বিস্তারিত এবং কীওয়ার্ড-সমৃদ্ধ ডেসক্রিপশন লেখাটা বেশ সময়সাপেক্ষ এবং ক্লান্তিকর। অনেক সময় কীওয়ার্ড দিয়ে ভরাট করতে গিয়ে ডেসক্রিপশনটা অগোছালো হয়ে যায়, যা দর্শকদের জন্য সুখপাঠ্য হয় না।
#3.4 মেটাডেটা যোগ করা
মেটাডেটা যোগ করা মানে হলো আপনার ভিডিওর জন্য একটা পরিচয়পত্র তৈরি করা। এটা ইউটিউবকে আপনার ভিডিওটা কোন ক্যাটাগরির, কোন ভাষায়, আর কোন অঞ্চলের দর্শকদের জন্য সবচেয়ে উপযোগী, সেটা বুঝতে সাহায্য করে।
আমার মনে আছে এমন একটি ঘটনা, যখন একটি ভিডিওতে ক্যাটাগরি সেট করতে ভুলে গিয়েছিলাম। পরে দেখলাম, সেই ভিডিওটার পারফরম্যান্স আমার অন্যান্য একই ধরনের ভিডিওর তুলনায় বেশ কম ছিল। পরে যখন ক্যাটাগরি ঠিক করে দিলাম, তখন ধীরে ধীরে ভিউ আসা শুরু করল। এই ঘটনা আমাকে শিখিয়েছে যে, প্রতিটি ছোট মেটাডেটা সিগন্যাল ইউটিউবের কাছে গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি আপনার ভিডিওকে সঠিক দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে সত্যিই সাহায্য করে।
মেটাডেটা বলতে আপনার ভিডিওর ক্যাটাগরি, ভিডিও ল্যাঙ্গুয়েজ, লোকেশন (যদি প্রযোজ্য হয়), রেকর্ডিং ডেট এবং অবশ্যই সাবটাইটেল/ক্যাপশন বোঝায়। এই তথ্যগুলো ইউটিউবকে আপনার ভিডিওর প্রেক্ষাপট বুঝতে সাহায্য করে। নির্ভুল ক্লোজড ক্যাপশন এবং ট্রান্সক্রিপ্ট যোগ করা এসইওর জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
মেটাডেটা বিভিন্ন অপশন নিয়ে গঠিত, যা প্রথমে একটু বিভ্রান্তিকর মনে হতে পারে। অনেকেই কোন অপশনটা কীসের জন্য বা কেন জরুরি, সেটা বুঝতে পারেন না, ফলে অনেক সময় ভুল মেটাডেটা দিয়ে দেন।
যারা চান তাদের ভিডিও সঠিক দর্শকদের কাছে পৌঁছাক এবং ইউটিউব আপনার ভিডিওর বিষয়বস্তু পরিষ্কারভাবে বুঝতে পারুক, তাদের জন্য প্রতিটি মেটাডেটা ফিল্ড যত্ন সহকারে পূরণ করা জরুরি।
#3.5 ভিডিও ট্যাগস
যারা চান তাদের ভিডিওর মেটাডেটা নিখুঁত হোক এবং ইউটিউব আপনার ভিডিওকে আরও ভালোভাবে ক্যাটাগরি করতে পারুক, তাদের জন্য সঠিক ট্যাগ ব্যবহার করাটা দরকার।
ট্যাগস আমার কাছে হলো আপনার ভিডিওর জন্য কিছু কিউ কার্ডের মতো। এগুলো ইউটিউবকে আপনার ভিডিওটা কী নিয়ে, সে সম্পর্কে কিছু অতিরিক্ত ধারণা দেয়।
- ট্যাগস আপনার ভিডিওর বিষয়বস্তু সম্পর্কে ইউটিউবকে অতিরিক্ত প্রাসঙ্গিক তথ্য দেয়।
- এটি খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ না হলেও, কিছু সুনির্দিষ্ট, প্রাসঙ্গিক এবং লং-টেইল কীওয়ার্ড ট্যাগ হিসেবে ব্যবহার করা উচিত।
- অযথা ট্যাগ দিয়ে ভিডিও ভরাট করবেন না। যাচাই করা তথ্য অনুযায়ী, সাধারণত ১০-১৫টি ট্যাগ এবং ৩-৫টির বেশি হ্যাশট্যাগ ব্যবহার না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
- ট্যাগস নিয়ে সবচেয়ে বড় ভুল ধারণা হলো যে, যত বেশি ট্যাগস, তত ভালো। ফলস্বরূপ, অনেকেই অপ্রাসঙ্গিক ট্যাগ দিয়ে ভিডিওকে ভরাট করে ফেলেন, যা আসলে কোনো কাজে আসে না, বরং ইউটিউব এটাকে স্প্যাম হিসেবে দেখতে পারে।
#3.6 ভিডিও কার্ডস
ভিডিও কার্ডস হলো দর্শকদের জন্য একটা পথপ্রদর্শকের মতো। এটা আপনাকে আপনার চ্যানেলের অন্য ভিডিওতে বা প্লেলিস্টে দর্শকদের সহজেই নিয়ে যেতে সাহায্য করে।
যারা চান তাদের চ্যানেলের সামগ্রিক ওয়াচ টাইম বাড়াতে এবং দর্শকদেরকে আপনার অন্যান্য ভিডিওগুলো এক্সপ্লোর করতে উৎসাহিত করতে, তাদের জন্য ভিডিও কার্ডস খুবই কার্যকর।
শুরুর দিকে আমি এলোমেলোভাবে কার্ডস ব্যবহার করতাম। পরে যখন ইউটিউব অ্যানালিটিক্সে দেখলাম কোন কার্ডগুলোতে বেশি ক্লিক পড়ছে, তখনই বুঝলাম সঠিক সময়ে সঠিক কার্ড দেখানো কতটা জরুরি। এতে দেখা গেল, সেই কার্ডে অন্যান্য কার্ডের তুলনায় অনেক বেশি ক্লিক পড়ছিল! আপনিও যদি আপনার দর্শকদের যাত্রা ফলপ্রসূ করতে চান, তাহলে কার্ডস ব্যবহার করে দেখতে পারেন।
ভিডিও কার্ডস হলো ভিডিওর মধ্যে পপ-আপ হওয়া ইন্টারেক্টিভ এলিমেন্ট, যা দিয়ে আপনি আপনার অন্যান্য ভিডিও, প্লেলিস্ট, চ্যানেল বা ওয়েবসাইটে লিংক করতে পারেন। সর্বোচ্চ পাঁচটি কার্ড ব্যবহার করা যায়। সঠিক সময়ে এবং প্রাসঙ্গিকভাবে এগুলো ব্যবহার করুন।
কার্ডস যদি ভুল সময়ে বা ভুল জায়গায় ব্যবহার করা হয়, তাহলে সেটা দর্শকদের জন্য বিরক্তির কারণ হতে পারে। অনেক সময় দেখা যায়, একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার মাঝখানে কার্ডস পপ-আপ করে, যা দর্শকদের মনোযোগ নষ্ট করে দেয়।
#3.7 ভিডিও চ্যাপ্টারস
ভিডিও চ্যাপ্টার্স হলো আপনার ভিডিওর জন্য একটা সূচিপত্র বা ইনডেক্স তৈরি করার মতো। এটা দর্শকদের জন্য ভিডিওর বিভিন্ন অংশে সহজে নেভিগেট করতে সাহায্য করে।
ভিডিও চ্যাপ্টার্স আপনার ভিডিওকে বিভিন্ন অংশে ভাগ করে দেয়, যা দর্শকদের জন্য নেভিগেট করা সহজ করে। গুগল সার্চেও এটি ‘কী মোমেন্টস’ হিসেবে প্রদর্শিত হতে পারে। ডেসক্রিপশনে `0:00` থেকে শুরু করে টাইমস্ট্যাম্প এবং টাইটেল দিয়ে চ্যাপ্টার্স যোগ করতে হয়। সর্বনিম্ন তিনটি চ্যাপ্টার থাকতে হবে এবং প্রতিটি চ্যাপ্টার অন্তত ১০ সেকেন্ডের হতে হবে।
চ্যাপ্টার্স তৈরি করাটা একটু বাড়তি কাজ মনে হতে পারে, বিশেষ করে যদি আপনার ভিডিওটা অনেক লম্বা হয়। প্রতিটি অংশের জন্য সঠিক সময় এবং টাইটেল খুঁজে বের করাটা একটু ধৈর্যের ব্যাপার।
#3.8 থাম্বনেইলস
থাম্বনেইল হলো আপনার ভিডিওর পোস্টার বা বিজ্ঞাপনের মতো। এটা আপনার ভিডিওর মুখ, যা প্রথম দর্শনেই দর্শকদের মনোযোগ আকর্ষণ করে। একটা দারুণ থাম্বনেইল তৈরি করতে পারলে মনে হয় যেন একটা ছোট আর্টওয়ার্ক তৈরি করেছেন, যা হাজারো ভিডিওর ভিড়ে আপনার ভিডিওকে আলাদা করে চিনিয়ে দেবে।
থাম্বনেইল হলো আপনার ভিডিওর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভিজ্যুয়াল এলিমেন্ট, যা ভিডিওর CTR (Click-Through Rate) নির্ধারণ করে। একটি আকর্ষণীয় থাম্বনেইল তৈরি করতে উচ্চ রেজোলিউশন (1280×720 পিক্সেল), সুস্পষ্ট ফন্ট, শক্তিশালী রঙ এবং কৌতূহল উদ্দীপক ছবি ব্যবহার করুন। যাচাই করা তথ্য অনুযায়ী, সাধারণত ৫-১০% CTR ভালো ধরা হয়।
একটা দারুণ থাম্বনেইল ডিজাইন করাটা অনেক সময় কঠিন মনে হতে পারে। এর জন্য ডিজাইন সেন্স, রঙ নির্বাচন এবং কী বার্তা দিতে চান, সে সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা জরুরি। অনেক সময় অনেক চেষ্টা করেও পছন্দসই থাম্বনেইল বানানো যায় না।
যারা চান তাদের ভিডিওর ভিউ বাড়ুক এবং হাজারো ভিডিওর ভিড়ে আপনার ভিডিওটা দর্শকদের নজরে আসুক, তাদের জন্য থাম্বনেইল অপটিমাইজেশন অপরিহার্য।
ধাপ #4: আপনার ভিডিও প্রচার করুন
ভিডিও প্রমোট করাটা আমার কাছে হলো একটা পার্টির আয়োজন করে অতিথিদের আমন্ত্রণ জানানোর মতো। আপনি শুধু দারুণ একটা কন্টেন্ট বানালেই হবে না, সেটা সবার কাছে পৌঁছে দিতেও হবে। যখন আপনার ভিডিওটা ইউটিউবের বাইরেও পরিচিতি পায়, তখন মনে হয় যেন আপনার পরিশ্রম সার্থক হচ্ছে।
তবে আপনার কাছে প্রমোশন করাটা বেশ সময়সাপেক্ষ হতে পারে এবং অনেক সময় মনে হতে পারে, এত কিছু করার পর আর প্রমোশনের জন্য শক্তি নেই। এছাড়াও, ভুল জায়গায় বা ভুল উপায়ে প্রমোশন করলে সেটা স্প্যামি মনে হতে পারে, যা আপনার চ্যানেলের জন্য খারাপ প্রভাব ফেলবে।
আপনার ভিডিও আপলোড করার পর শুধুমাত্র ইউটিউবের উপর নির্ভর না করে,
- এটিকে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে প্রমোট করা উচিত। সোশ্যাল মিডিয়া (যেমন ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার),
- আপনার ওয়েবসাইট/ব্লগ, ইমেল নিউজলেটার এবং
- প্রাসঙ্গিক অনলাইন কমিউনিটিতে (যেমন ফেসবুক গ্রুপ, ডিসকর্ড সার্ভার, রেডিট – অবশ্যই কমিউনিটির নিয়মনীতি মেনে) আপনার ভিডিওর লিংক শেয়ার করুন।
আপনি এমনকি আপনার দীর্ঘ ভিডিও থেকে ছোট ছোট ক্লিপ তৈরি করে ইউটিউব শর্টস হিসেবে আপলোড করে মূল ভিডিওতে ট্রাফিক আনতে পারেন।
মনে রাখবেন, নিয়মিত ভিডিও আপলোড করলে এবং প্রমোশনের মাধ্যমে প্রাথমিক এনগেজমেন্ট পেলে ইউটিউব অ্যালগরিদম আপনার চ্যানেলকে গুরুত্ব দেয় এবং এটি চ্যানেল র্যাঙ্কিংয়ে সাহায্য করে। আপনার ভিডিও তৈরি এবং অপটিমাইজেশন যেমন জরুরি, প্রমোশনও ঠিক তেমনই জরুরি।
সাধারণ কিছু প্রশ্ন ও উত্তর (FAQs):
ইউটিউব এসইও কি সময় বা অর্থের অপচয়?
একদমই না! আমার মতে, এটা আপনার ইউটিউব চ্যানেলের জন্য সবচেয়ে দরকারি বিনিয়োগ। আপনি যখন ভালো এসইও করবেন, আপনার ভিডিও সঠিক দর্শকদের কাছে পৌঁছাবে, ভিউ বাড়বে, সাবস্ক্রাইবার বাড়বে। এর জন্য কোনো টাকা খরচ করতে হয় না, শুধু একটু সময় আর শেখার আগ্রহই যথেষ্ট। লং-টার্মে এটা আপনার জন্য খুবই উপকারী হবে।
ইউটিউব এসইও কি শিখতে অনেক কঠিন?
প্রথমদিকে হয়তো একটু নতুন মনে হতে পারে, কিন্তু মোটেও কঠিন নয়। ইউটিউবে বা ব্লগে প্রচুর ফ্রি রিসোর্স আছে যেখানে আপনি ধাপে ধাপে শিখতে পারবেন। আমার মনে হয়, নিয়মিত চর্চা করলে এবং ভিডিও আপলোড করার সময় এই বিষয়গুলো খেয়াল রাখলে খুব দ্রুতই আপনি ব্যাপারটা আয়ত্ত করে ফেলবেন। এটা অনেকটা সাইকেল চালানোর মতো, প্রথম প্রথম পড়ে গেলেও, একবার শিখে গেলে আর সমস্যা হয় না।
ছোট চ্যানেলগুলোর জন্য কি ইউটিউব এসইও দরকারি?
হ্যাঁ, ছোট চ্যানেলগুলোর জন্য তো আরও বেশি দরকারি! যখন আপনার সাবস্ক্রাইবার কম থাকে, তখন আপনার ভিডিওগুলো এমনিতেই বেশি মানুষের কাছে পৌঁছায় না। এসইও আপনাকে সাহায্য করবে নতুন দর্শকদের খুঁজে পেতে, যারা আপনার চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করতে পারে। আমার চ্যানেল যখন ছোট ছিল, তখন এসইও-ই আমাকে গ্রো করতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করেছে।
আমার কি প্রতিটা ভিডিওর জন্য আলাদাভাবে এসইও করতে হবে?
অবশ্যই! প্রতিটা ভিডিওই আলাদা, সেটার বিষয়বস্তুও আলাদা। তাই প্রতিটি ভিডিওর জন্য আলাদাভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ করে, টাইটেল, ডেসক্রিপশন, ট্যাগ অপ্টিমাইজ করা উচিত। এতে ইউটিউব আপনার প্রতিটি ভিডিওকে সঠিকভাবে বুঝতে পারবে এবং সঠিক দর্শকদের কাছে পৌঁছে দেবে। এটা অনেকটা প্রতিটা ক্লাসে আলাদাভাবে মনোযোগ দেওয়ার মতো।
ইউটিউব এসইও কত দ্রুত কাজ করে?
এটা বলা একটু কঠিন, কারণ দ্রুত কাজ করাটা অনেকগুলো বিষয়ের ওপর নির্ভর করে – আপনার বিষয়বস্তুর জনপ্রিয়তা, প্রতিযোগিতা, আপনার চ্যানেলের পুরোনো পারফরম্যান্স ইত্যাদি। আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি, কিছু ভিডিও খুব তাড়াতাড়ি ফল দিতে শুরু করে, আবার কিছু ভিডিওর জন্য কয়েক সপ্তাহ বা মাস অপেক্ষা করতে হয়। তবে ধৈর্য ধরে নিয়মিত এসইও প্র্যাকটিস করলে আপনি নিশ্চিতভাবে ভালো ফল পাবেন। এটা কোনো ম্যাজিক নয়, একটা ধারাবাহিক প্রক্রিয়া।
শেষ কথা
ইউটিউব এসইও আপনার চ্যানেলের সফলতার জন্য একটি অপরিহার্য অংশ। এটি শুধু টেকনিক্যাল বিষয় নয়, বরং আপনার কন্টেন্টকে সঠিক দর্শকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি কার্যকরী ব্লুপ্রিন্ট।
নিয়মিত এবং ধৈর্য ধরে এই কৌশলগুলো প্রয়োগ করলে আপনি অবশ্যই আপনার ইউটিউব যাত্রায় আশানুরূপ ফল পাবেন। আপনার ভিডিওগুলো আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাক, আপনার পরিশ্রম সার্থক হোক—এই শুভকামনা রইল!


