YouTube Monetization Update (July 2025): সহজ ভাষায় যা জানা দরকার

Published on: January 21, 2026

YouTube Monetization Update (July 2025)

২০২৬ সালে YouTube monetization পেতে হলে কেবল ভিডিও আপলোড করলেই হবে না উচ্চমানের, মৌলিক (original) কনটেন্ট তৈরি করা এখন বাধ্যতামূলক। অন্যের কনটেন্ট কপি, রি-আপলোড বা সামান্য পরিবর্তন করে ব্যবহার করলে মনিটাইজেশন পাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নেই। কারণ YouTube-এর অ্যালগরিদম এখন খুব সহজেই কনটেন্টের গুণগত মান ও originality শনাক্ত করতে পারে।

YouTube-এর monetization নীতিমালা সময়ের সাথে নিয়মিত আপডেট হয়। একজন ডিজিটাল মার্কেটিং প্রফেশনাল হিসেবে আমি এসব পরিবর্তন গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করি, যাতে কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ব্যবসায়িক চ্যানেলগুলো সঠিক দিকনির্দেশনা পেতে পারে।

July 2025 থেকে কার্যকর হওয়া YouTube Partner Program (YPP) আপডেটটি একেবারে নতুন নয়, কিন্তু বাস্তবতা হলো—অনেক বাংলাদেশি কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ব্যবসায়িক চ্যানেল এখনো এই পরিবর্তনগুলো পুরোপুরি বুঝে উঠতে পারেননি।

বিশেষ করে যারা reaction ভিডিও, faceless চ্যানেল, AI-সহায়ক কনটেন্ট, clips বা highlights ভিত্তিক ভিডিও তৈরি করেন, একই niche-এ নিয়মিত ভিডিও প্রকাশ করেন, কিংবা ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে YouTube ব্যবহার করেন (যেমন product review, ব্র্যান্ড কনটেন্ট বা শিক্ষামূলক ভিডিও) তাদের জন্য এই আপডেটটি বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

২০২৬ সালে ধাপে ধাপে YouTube Monetization প্রক্রিয়া

আপনার YouTube চ্যানেল মনিটাইজেশন উপযোগী করতে হলে নিচের ধাপগুলো ধারাবাহিকভাবে অনুসরণ করতে হবে।

প্রথম ধাপ: ভালো মানের কনটেন্ট তৈরি

YouTube মনিটাইজেশনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো উচ্চমানের ও অরিজিনাল কনটেন্ট। কাট–কপি, reused কনটেন্ট, কিংবা অন্যের ভিডিও সামান্য এডিট করে আপলোড করলে মনিটাইজেশন পাওয়া যাবে না। YouTube-এর অ্যালগরিদম এখন সহজেই শনাক্ত করতে পারে কনটেন্টটি মৌলিক (original) কিনা।

দ্বিতীয় ধাপ: YouTube Partner Program (YPP) যোগ্যতা

Full YPP মনিটাইজেশন পেতে নিচের যেকোনো একটি শর্ত পূরণ করলেই যথেষ্ট—

অপশন–১:

  • ১,০০০ সাবস্ক্রাইবার
  • গত ১২ মাসে ন্যূনতম ৪,০০০ ওয়াচ আওয়ার

অথবা

অপশন–২:

  • ১,০০০ সাবস্ক্রাইবার
  • গত ৯০ দিনে ১ কোটি (১০ মিলিয়ন) বৈধ Shorts ভিউ

এই শর্তগুলো পূরণ হলে আপনি YPP-এর জন্য আবেদন করতে পারবেন।

তৃতীয় ধাপ: বিজ্ঞাপন আয়ের অনুমোদন (Ad Revenue)

YPP অনুমোদিত হলে দীর্ঘ সময়ের ভিডিও ও Shorts—দুই ক্ষেত্রেই বিজ্ঞাপন থেকে আয় শুরু হয়। দীর্ঘ ভিডিওতে প্রি-রোল, মিড-রোল ও পোস্ট-রোল অ্যাড দেখানো হয়।

আয়ের ভাগ:

  • কনটেন্ট ক্রিয়েটর: ৫৫%
  • YouTube: ৪৫%

চতুর্থ ধাপ: YouTube Premium আয়

যেসব দর্শক YouTube Premium ব্যবহার করেন, তারা বিজ্ঞাপন দেখেন না। তাদের ওয়াচ টাইম অনুযায়ী সাবস্ক্রিপশন আয়ের একটি অংশ কনটেন্ট ক্রিয়েটর পান, যা মোট আয়ের প্রায় ৫%–১৫% পর্যন্ত হতে পারে।

পঞ্চম ধাপ: Lower Tier YPP (Fan Funding চালু করা)

Full YPP না থাকলেও Fan Funding চালু করা সম্ভব, যদি—

  • ৫০০ সাবস্ক্রাইবার থাকে
  • গত ৯০ দিনে অন্তত ৩টি ভিডিও আপলোড করা থাকে

এবং

  • ৩,০০০ ওয়াচ আওয়ার অথবা
  • ৯০ দিনে ৩০ লাখ Shorts ভিউ থাকে

এতে Channel Membership, Super Chat, Super Sticker ও Super Thanks চালু হয়।

ষষ্ঠ ধাপ: Channel Membership ও Live Income

দর্শক মাসিক ফি দিয়ে চ্যানেল মেম্বার হতে পারে।
লাইভ স্ট্রিমে Super Chat ও Stickers থেকে সরাসরি আয় হয়।

এক্ষেত্রে কনটেন্ট ক্রিয়েটর ৭০% পর্যন্ত আয় করতে পারেন।

সপ্তম ধাপ: YouTube Shopping ও Affiliate Income

Full YPP থাকলে ভিডিও ও Shorts-এ প্রোডাক্ট ট্যাগ করা যায়। নিজের শপ বা ব্র্যান্ডের প্রোডাক্ট থেকে কমিশন আয় সম্ভব। এছাড়া Affiliate লিংক ব্যবহার করে YouTube-এর বাইরেও আয় করা যায়।

অষ্টম ধাপ: Brand Deal ও Content Licensing

ব্র্যান্ডের সাথে স্পন্সরড ভিডিও করা যায়। ইউনিক ফুটেজ (ড্রোন শট, ইভেন্ট কাভারেজ, টিউটোরিয়াল) মিডিয়া বা অন্য ক্রিয়েটরের কাছে লাইসেন্স দিয়ে বিক্রি করা সম্ভব। ২০২৬ সালে এটি অনেক কনটেন্ট ক্রিয়েটরের বড় আয়ের উৎস হয়ে উঠছে।

সংক্ষেপে বলা যায়

২০২৬ সালে YouTube মনিটাইজেশন শুধু ভিউয়ের ওপর নির্ভরশীল নয়। অরিজিনাল কনটেন্ট, দর্শকের সন্তুষ্টি, একাধিক আয়ের উৎস এবং দীর্ঘমেয়াদি বিশ্বাস এই চারটি বিষয়ই সফল মনিটাইজেশনের মূল চাবিকাঠি।

বাংলাদেশি ইউটিউবারদের জন্য সতর্কতা: YouTube Inauthentic Content নীতি কী বলছে?

YouTube-এর “Repetitious Content” নীতির নাম পরিবর্তন হয়ে “Inauthentic Content” হওয়ার পর অনেক বাংলাদেশি কনটেন্ট ক্রিয়েটরের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে:
তাহলে কি reaction ভিডিও, clips, commentary বা AI-assisted কনটেন্ট এখন ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে?

এই নাম পরিবর্তনের মূল উদ্দেশ্য হলো:
কোন ধরনের কনটেন্ট আসলে মনিটাইজেশনের জন্য অযোগ্য, সেটি আরও স্পষ্টভাবে বোঝানো।

রিসার্চ থেকে পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো—

  • এই আপডেটের মূল ফোকাস হলো mass-produced বা বারবার একই ধরনের কনটেন্ট শনাক্ত করার সক্ষমতা বাড়ানো
  • Reaction, clips বা commentary চ্যানেলগুলোকে সরাসরি টার্গেট করা হচ্ছে না
  • যারা একই ফরম্যাটের ভিডিও ধারাবাহিকভাবে আপলোড করেন, slideshow বা automation-based কনটেন্ট ব্যবহার করেন—তাদের স্ট্র্যাটেজি রিভিউ করা উচিত
  • Original, value-driven কনটেন্ট—এমনকি AI ব্যবহার করা হলেও যেখানে নিজস্ব commentary, insight বা educational value আছে—সেগুলো নিরাপদ

আমি July 2025 থেকে কার্যকর হওয়া YouTube Partner Program (YPP) আপডেটটি খুব সহজভাবে ব্যাখ্যা করবো, যাতে বাংলাদেশি YouTube ক্রিয়েটর ও চ্যানেলগুলো স্পষ্টভাবে বুঝতে পারে:

  • আসলে কী পরিবর্তন হয়েছে
  • “Repetitious” থেকে “Inauthentic” নাম পরিবর্তনের কারণ
  • কোন ধরনের কনটেন্ট এখনো ঝুঁকিতে আছে
  • কোন বিষয়গুলোতে সতর্ক থাকা জরুরি
  • সামনে কী ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে

আসলে কী পরিবর্তন হয়েছে?

YouTube-এর Creator Liaison Renee Ritchie স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে,
এই আপডেটটি নতুন কোনো monetization নিয়ম নয়।
বরং এটি আগের নিয়মগুলোকে আরও কার্যকরভাবে প্রয়োগ করার একটি উদ্যোগ।

এই বিষয়টি বোঝা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এর অর্থ দাঁড়ায়:

  • Reaction বা commentary ভিডিও শুধুমাত্র clips ব্যবহার করার কারণে demonetized হবে না
  • YouTube ক্রিয়েটরদের কনটেন্ট তৈরি বন্ধ করতে চায়নি
  • বরং তারা চায়—আপনি যা করছেন, সেটি আরও ভালোভাবে এবং value যোগ করে করুন

Renee আরও ব্যাখ্যা করেন যে, YouTube এখন এমন কনটেন্ট শনাক্ত করতে আরও দক্ষ হচ্ছে,
যেগুলো আগেও YouTube Partner Program-এর জন্য অযোগ্য ছিল

অর্থাৎ—

  • এই আপডেটটি rulebook পরিবর্তন করছে না
  • এটি শুধুমাত্র low-effort, no-value কনটেন্ট শনাক্ত করার প্রযুক্তি উন্নত করছে

“Repetitious” থেকে “Inauthentic”: নাম পরিবর্তনের কারণ

এই আপডেট কার্যকর হয় ১৫ জুলাই, ২০২৫ থেকে।
YouTube এখানে মূলত ফোকাস করেছে—

  • Mass-produced content
  • বারবার একই ধরনের ভিডিও
  • কোনো মৌলিক চিন্তা বা মানবিক অবদান ছাড়া তৈরি কনটেন্ট

এই কারণেই “Repetitious Content” নামটি পরিবর্তন করে “Inauthentic Content” রাখা হয়েছে,
যা নীতিটির উদ্দেশ্য আরও পরিষ্কারভাবে প্রকাশ করে।সহজভাবে বললে:
যেসব ভিডিওতে মানবিক চিন্তা, মৌলিক অবদান বা বাস্তব value নেই, সেগুলোই Inauthentic বা স্প্যাম কনটেন্ট হিসেবে ধরা হচ্ছে।

আসলে কী পরিবর্তন হয়েছে?

YouTube-এর Creator Liaison Renee Ritchie স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে,
এই আপডেটটি নতুন কোনো monetization নিয়ম নয়
বরং এটি আগের নিয়মগুলোকে আরও কার্যকরভাবে প্রয়োগ করার একটি উদ্যোগ।

এই বিষয়টি বোঝা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এর অর্থ দাঁড়ায়—

  • Reaction বা commentary ভিডিও শুধুমাত্র clips ব্যবহার করার কারণে demonetized হবে না
  • YouTube ক্রিয়েটরদের কনটেন্ট তৈরি বন্ধ করতে চায়নি
  • বরং তারা চায়—আপনি যা করছেন, সেটি আরও ভালোভাবে এবং value যোগ করে করুন

Renee আরও ব্যাখ্যা করেন যে, YouTube এখন এমন কনটেন্ট শনাক্ত করতে আরও দক্ষ হচ্ছে,
যেগুলো আগেও YouTube Partner Program-এর জন্য অযোগ্য ছিল

অর্থাৎ—

  • এই আপডেটটি rulebook পরিবর্তন করছে না
  • এটি শুধুমাত্র low-effort, no-value কনটেন্ট শনাক্ত করার প্রযুক্তি উন্নত করছে

“Repetitious” থেকে “Inauthentic”: নাম পরিবর্তনের কারণ

এই আপডেট কার্যকর হয় ১৫ জুলাই, ২০২৫ থেকে।
YouTube এখানে মূলত ফোকাস করেছে:

  • Mass-produced content
  • বারবার একই ধরনের ভিডিও
  • কোনো মৌলিক চিন্তা বা মানবিক অবদান ছাড়া তৈরি কনটেন্ট

এই কারণেই “Repetitious Content” নামটি পরিবর্তন করে “Inauthentic Content” রাখা হয়েছে,
যা নীতিটির উদ্দেশ্য আরও পরিষ্কারভাবে প্রকাশ করে।

সহজভাবে বললে:
যেসব ভিডিওতে মানবিক চিন্তা, মৌলিক অবদান বা বাস্তব value নেই, সেগুলোই Inauthentic বা স্প্যাম কনটেন্ট হিসেবে ধরা হচ্ছে।

কোন ধরনের কনটেন্ট এখনো ঝুঁকিতে?

নিচের ধরনের কনটেন্টগুলো আগেও YouTube Partner Program (YPP)-এর অধীনে monetizable ছিল না এখন শুধু এগুলো শনাক্ত করা আরও সহজ হয়েছে:

  • অন্যের কনটেন্ট পড়ে শোনানো বা রিইউজ করা, কিন্তু নিজস্ব ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণ ছাড়া
  • গান বা অডিও শুধুমাত্র pitch বা speed পরিবর্তন করে আপলোড করা
  • Image slideshow বা compilation ভিডিও, যেখানে প্রায় কোনো commentary বা human input নেই

এগুলো নতুন করে নিষিদ্ধ করা হয়নি—
আগের নিয়মই এখন আরও কঠোরভাবে প্রয়োগ হচ্ছে।

সামনে কী হতে পারে?

২০২৬ সালের দিকে তাকালে কয়েকটি বিষয় স্পষ্টভাবে বোঝা যায়—

  • YouTube-এর content detection system আরও advanced হবে
  • Low-effort, automation-heavy কনটেন্ট আরও দ্রুত শনাক্ত করা হবে

তাই এখন থেকেই যেসব বিষয়ে জোর দেওয়া দরকার—

  • বাস্তব ও স্পষ্ট commentary
  • কনটেন্টের ভালোভাবে মূল্যায়ন ও বিশ্লেষণ
  • মানসম্মত editing
  • Automation-এর ওপর অন্ধভাবে নির্ভর না করা

যারা সত্যিকারের পরিশ্রম করে কনটেন্ট তৈরি করছেন,
এই আপডেট তাদের জন্য কোনো হুমকি নয়
বরং এটি দীর্ঘমেয়াদে ভালো কনটেন্টকে টিকিয়ে রাখার ইঙ্গিত দেয়।

YouTube-এর এই আপডেট থেকে স্পষ্ট বোঝা যায়—
মূল লক্ষ্য কোনো চ্যানেলকে দমন করা নয়,
বরং যেসব চ্যানেল সত্যিকারের value-driven কনটেন্ট তৈরি করছে, সেগুলোকে নিরাপদ রাখা ও পুরস্কৃত করা।

Reaction, commentary, clips বা AI-assisted কনটেন্ট তৈরি করার সময়
নিজের originality, insight এবং viewer value বজায় রাখলেই আপনি monetization-এর ক্ষেত্রে নিরাপদ থাকবেন।

বাংলাদেশি কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ব্যবসায়িক চ্যানেলগুলোর জন্য একটাই পরামর্শ—
algorithm-এর জন্য নয়, মানুষের জন্য কনটেন্ট তৈরি করুন।
এইভাবে আপনার চ্যানেল দীর্ঘমেয়াদে grow করবে এবং YouTube-এর policy changes-এর সঙ্গে সহজেই মানিয়ে নিতে পারবেন।

FAQ: YouTube’s 2025 Monetization Update

২০২৬ সালে YouTube মনিটাইজেশন পেতে মূল শর্ত কী?

২০২৬ সালে YouTube মনিটাইজেশন পেতে হলে অবশ্যই অরিজিনাল ও ভালো মানের কনটেন্ট তৈরি করতে হবে।
পাশাপাশি ১,০০০ সাবস্ক্রাইবার এবং নির্ধারিত ওয়াচ টাইম বা Shorts ভিউ পূরণ করতে হবে।

Reaction বা clips চ্যানেল কি এখন মনিটাইজেশনের ঝুঁকিতে?

না। Reaction, clips বা commentary চ্যানেল সরাসরি টার্গেট নয়।
ঝুঁকি তৈরি হয় তখনই, যখন কনটেন্টে নিজস্ব মতামত, বিশ্লেষণ বা বাস্তব value অনুপস্থিত থাকে

“Repetitious” থেকে “Inauthentic Content” নাম বদলানোর মানে কী?

এই নাম পরিবর্তনের উদ্দেশ্য নতুন কোনো নিয়ম আনা নয়।
বরং আগের নিয়ম অনুযায়ী low-effort, mass-produced এবং value-less কনটেন্ট আরও সহজে শনাক্ত করা।

AI-assisted বা faceless কনটেন্ট কি নিরাপদ?

হ্যাঁ, নিরাপদ—
যদি সেখানে নিজস্ব commentary, insight বা শিক্ষামূলক value থাকে।
শুধু automation বা slideshow-ভিত্তিক ভিডিও ঝুঁকিতে পড়ে।

২০২৬ সালে YouTube থেকে আয়ের সেরা কৌশল কী?

শুধু ভিউ নয়—
অরিজিনাল কনটেন্ট, দর্শকের সন্তুষ্টি, একাধিক আয়ের উৎস এবং দীর্ঘমেয়াদি বিশ্বাস গড়ে তোলাই ২০২৬ সালে YouTube আয়ের মূল চাবিকাঠি।

উপসংহার

২০২৬ সালে YouTube মনিটাইজেশনে সফল হতে হলে শুধু ভিউ বা ট্রেন্ডের পেছনে ছোটা যথেষ্ট নয়।
ভালো চিন্তা, স্পষ্ট commentary, দর্শকের জন্য বাস্তবসম্মত কনটেন্ট এবং একাধিক আয়ের উৎস তৈরি করাই দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যের ভিত্তি।

YouTube-এর নীতিমালা পরিবর্তন হলেও—
মানসম্মত ও অরিজিনাল কনটেন্ট সবসময়ই নিরাপদ এবং লাভজনক থাকে।

Read More YouTube Related Article:

1. Meta Follows YouTube In Crackdown On Unoriginal Content

2. ইউটিউব এসইও কি : 4 ধাপে ইউটিউব ভিডিও র‍্যাঙ্কিং নিয়ম
3. ইউটিউব অ্যানালিটিক্সে অর্গানিক ও পেইড ট্র্যাফিক আলাদাভাবে দেখার সুবিধা চালু

Meta Follows YouTube In Crackdown On Unoriginal Content

How a YouTube SEO Tag Generator Helps Boost Views and Rankings

Leave a Comment

Md Meraj Mahmud
Manager, SEO
Today
Hey there! 👋
I\\\\\\\'m here to help, let me know what\\\\\\\'s up!
16:02
I need a quote
How Much Does SEO Cost?
1